ভিকটিম ও অভিযুক্তকে হাসপাতালে প্রেরণ ও নিরাপত্তা হেফাজত পদ্ধতিঃ
ভিকটিম ও অভিযুক্তকে হাসপাতালে প্রেরণ ও নিরাপত্তা হেফাজত প্রদানের পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
- পি আর বি বিধি-৩১২ অনুযায়ী কোন আহত ব্যাক্তিকে বিপি ফরম নং ৫০ পূরণ পূর্বক একটি প্রতিবেদনসহ মেডিক্যাল অফিসারের নিকট প্রেরণ। অপরাধীদের দ্বারা কোন আক্রমণের সম্ভাবনা থাকলে হাসপাতালে পুলিশ এস্কর্ট মোতায়েন করা।
- চালাণের প্রতিলিপি প্রেরণ করার জন্য ময়না তদন্তের ক্ষেত্রে যে বিধি রয়েছে তা অনুসরণ করা।
- যেহেতু এ সকল প্রতিবেদন কোন আইনগত সাক্ষ্য নয়, তাই তা মামলায় রেকর্ডের অংশ নয়।
- সন্দিগ্ধ নয় এ রকম কোন আহত ব্যাক্তিকে পুলিশ থানায় নিয়ে এলে, ওই ব্যাক্তির আপত্তি না থাকলে তার নিকটতম হাসপাতালে পাঠানো যেতে পারে, যার খরচ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বহন করবেন।
- অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সন্দিগ্ধগণকে জামিনে মুক্তি না দেয়া পর্যন্ত জেল হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হবে; জামিনে মুক্তি দেয়া হলে তাকে দাতব্য চিকিৎসালয়ে পাঠানো যেতে পারে।
- পুলিশ হেফাজতে রাখার প্রয়োজন নেই এরুপ আহত ব্যাক্তিকে থানার অফিসার অবিলম্বে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠাবেন আহত ব্যাক্তি হাসপাতালে যেতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ আইনগত চিকিৎসার প্রত্যায়ন পত্র গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিকটবর্তী সরকারী মেডিকেল অফিসারের নিকট অধিযাচন পত্র (রিকুইজেশন) প্রেরণ করবেন।
- যদি সরকারী চিকিৎসক না পাওয়া যায় তাহলে প্রাইভেট রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক এর নিকট হতে সনদপত্র গ্রহণ করা যেতে পারে।
- আহত ব্যাক্তি শারীরিক অবস্থা আশংকা জনক হলে অবিলম্বে একজন ম্যজিষ্ট্রট অথবা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের দ্বারা আহত ব্যাক্তির মৃত্যুকালীন জবানবন্দী রেকর্ড করার ব্যবস্থা করতে হবে।
নোটঃ
- হাসপাতালে নেওয়ার জন্য আহত ব্যাক্তির সম্মতি প্রয়োজন।
- মহিলাদের কোন অবস্থাতেই তার সম্মতি ছাড়া ডাক্তারি পরীক্ষা বা হাসপাতালে নেয়া যাবে না।
No comments:
Post a Comment
Thanks, Friends. for this coments